টিভিতে খেলা যেমনঃ ক্রিকেট, ফুটবল সময় নষ্ট করে ও আল্লাহ্ তায়ালারর ইবাদত করতে না দেয়া ও
দেখুন
আমার নাম মুহাম্মাদুল্লাহ। থাকি উত্তর লাকসাম, কুমিল্লা, বাংলাদেশ। নাম্বার +8801737922429। সারা দুনিয়ার মানুষকে জান্নাতি বানান।
কম দামে সাইট দিয়ে আয় করুন। ১০০, ৩০০, ৫০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা লাগবে। তাড়াতাড়ি ফোন দিন +8801737922429 হাজার, লাখ টাকা উপার্জন করুন কম খরচে সাইট বানিয়ে। এই সিষ্টেম গোপন কিন্তু হালাল
Showing posts with label ইসলাম. Show all posts
Showing posts with label ইসলাম. Show all posts
Wednesday, November 14, 2018
আল কায়েদা সারা দুনিয়ার দ্বীন ইসলামী সত্য দল। এই দল করতে পারেন।
তারা মুসলিম। আল কায়েদা জংী নয়। তারা সন্ত্রাসী নন। দেওবন্দ আলেমসমাজ ও হক্কানী আলেমসমাজ আল কায়েদাকে হক্ব দল বা জামাত বলেন।
অনেক মুফতি ও আলেম এটা করেন।
অনেক মুফতি ও আলেম এটা করেন।
Monday, November 12, 2018
Sunday, November 4, 2018
মোবাইল ইন্টারনেটে খারাপ ও নোংরা জিনিস দেখার কারণে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের শালীনতা নষ্ট হয়
পুরুষ ও নারীর ভালোবাসাময় বন্ধনের নাম বিবাহ। বিবাহ একটি সম্মানজনক সম্পর্ক। মানুষের স্বভাবজাতপ্রয়োজনকে বিবেচনা করেই ইসলাম এক ও একাধিক বিবাহের বিধান রেখেছে। আল্লাহ ও তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিবাহ নামক মধুর সম্পর্ক টিকে থাকা এবং এর দ্বারা শান্তি লাভ করার জন্য যেসব নির্দেশ ও নসিহত করেছেন সেগুলো যথাযথ আদায় করলে বৈবাহিক সম্পর্ক অটুট থাকে। বিবাহ বিচ্ছেদের মতো চরম দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে না। বিবাহের সময় খুতবায় যেসব আয়াত ও হাদিস পড়া হয় সেগুলো অত্যন্ত গুরুত্ববহ। প্রতিটি আয়াতে স্বামী ও স্ত্রী উভয়কে তাকওয়া ও আল্লাহভীতির কথা বলা হয়েছে। জীবনব্যাপী সত্য কথা বলার জন্য এবং জীবনের আমলকে সংশোধন করার জন্য তাগিদ দেয়া হয়েছে। একজন স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে যখন আল্লাহ পাকের ভয় থাকবে, তখন তারা একজন আরেকজনের অবর্তমানে গর্হিত কাজে জড়ানো ও লিপ্ত হওয়ার ক্ষেত্রে আল্লাহকে ভয় করে এর থেকে বিরত থাকবে। তাছাড়া মানুষ যখন গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকে তখন আল্লাহ পাকের গায়েবি রহমত ও সাহায্য তার ওপর থাকে। সমাজের মানুষের দিলে তার ব্যাপারে সম্মানবোধ থাকে। তেমনি স্বামী যখন মুত্তাকি ও খোদভীরু হয় তখন স্ত্রীর অন্তরে স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকে। অনুরূপ স্ত্রী যখন মুত্তাকি ও আল্লাহভীরু হয় তখন স্বামীর অন্তরে স্ত্রীর প্রতি সম্মানবোধ বিরাজ করে। স্বামী-স্ত্রী যখন দুজন দুজনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও আস্থাবান থাকে তখন তাদের জীবনসংসার স্থায়িত্ব লাভ করে। এর বিপরীতে মানুষ যখন তাকওয়া ছেড়ে দেয় তখন মানুষের প্রতি মানুষের এক ধরনের অবিশ্বাস জন্ম নেয়। এই অবিশ্বাস থেকেই একে অপরের প্রতি আস্থাহীন ও সন্দিহান হয়ে পড়ে। আর এ ধরনের সমস্যা যখন স্বামী-স্ত্রীর মাঝে হয় তখন একসময় সেটার পরিণতি দাঁড়ায় স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ। এ জন্য আল্লাহ তায়ালা বৈবাহিকজীবনের শুরুতেই বারবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন- তাকওয়ার জিন্দেগি অবলম্বন করো। স্বামী-স্ত্রী যখন আল্লাহ পাকের এই বিধানের ওপর অটল থাকে, তখন তাদের সম্পর্ক সুন্দর থাকে। মধুময় থাকে। দীর্ঘায়িত হয়। বিচ্ছেদের মতো দুর্ঘটনা তাদের মাঝে ঘটে না। তালাক ও বিবাহবিচ্ছেদ ঘটা এবং বর্তমানে এর পরিমাণ বেড়ে যাওয়া মূলত একটা সামাজিক অবক্ষয়ের বহিঃপ্রকাশ। বিবাহবিচ্ছেদ ঘটার পেছনে বড় একটা কারণ অপসংস্কৃতি। আজকে বেশিরভাগ মিডিয়া নাটক-সিনেমা এমনকি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেও অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা প্রচার করছে। মানুষ যখন নাটক-সিনেমায় ইসলামের বিধান বহির্ভূত অবৈধ সম্পর্কের গল্প বারবার দেখে তখন সেগুলো তাদের জীবনের ওপর প্রভাব ফেলে। ব্যক্তিজীবনে তারা সেসব অবৈধ ও অনৈতিক সম্পর্ক গড়তে গিয়ে বিবাহবিচ্ছেদসহ নানা ধরনের অপমানজনক ঘটনা ঘটে। সারা দুনিয়ায় মুসলমানদের জীবনে বর্তমানে সবচেয়ে বড় হামলাটা করছে মোবাইল ও ইন্টারনেট। নেটের বদৌলতে সহজেই মোবাইল দিয়ে খারাপ ও নোংরা জিনিস দেখার অবাধ সুযোগ থাকার কারণে নারী-পুরুষের শালীনতা নষ্ট হয়। চরমভাবে চরিত্র ও রুচির বিকৃতি হয়। যারা এগুলো দেখে তারা এক নারী ও পুরুষে সন্তুষ্ট থাকতে চায় না। নতুন নারী নতুন পুরুষের সঙ্গে মেশার তাড়না ও নেশা সৃষ্টি হয়। স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে সৃষ্টি হয় নানা ধরনের সংকট ও সমস্যা। যার চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটে তালাকের মাধ্যমে। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে তালাক ও বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে বড় মাত্রার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে সন্তানাদির ওপর। এ সময় তারা মা-বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তাদের ভবিষ্যৎ জীবনটা ভীষণ সংকটের মধ্যে পড়ে। বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে মানুষের কর্মজীবনেও প্রভাব পড়ে। ব্যক্তি নিজের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলে। তার কাজের গতি নষ্ট হয়। তালাকের কারণে স্বামী-স্ত্রী আলাদা হয়ে যায় বটে। কিন্তু জীবনের প্রথম সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে পুরুষ ও নারী উভয়ে পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশে নানামুখি সমস্যার মুখোমুখি হয়। বিভিন্ন ধরনের অশান্তি ও অসম্মানজনক পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে। ইসলামে তালাকের বিধান আছে, তবে সেটা ঘৃণা ও অপছন্দের সঙ্গে। স্বামী যখন স্ত্রীর ওপর জুলুম করে, স্ত্রীর ইসলামসম্মত হক আদায় করে না তখন স্ত্রী চাইলে শরয়ি বিধান মোতাবেক আলাদা হয়ে যেতে পারেন। এমনিভাবে স্ত্রী যখন স্বামীর কথা মানে না, স্বামীর ইসলামসম্মত হক আদায় করে না তখন স্বামী চাইলে ইসলামি বিধান মোতাবেক স্ত্রীকে আলাদা করে দিতে পারেন। স্বামী-স্ত্রী যদি শরিয়তসম্মত কোনো সমস্যার কারণে কোনোভাবেই একসঙ্গে থাকতে সম্মত না হন তখন ইসলাম তাদের তালাক ও আলাদা হয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। মূলত স্বামী-স্ত্রী যখন তাকওয়া ও আল্লাহর ভয়কে অন্তর ধারণ করে একে অপরের হক আদায় করে যায় তখন তালাক ও বিবাহ বিচ্ছেদের মতো দুর্ঘটনা ঘটে না। গ্রন্থনা : সাদ আবদুল্লাহ মামুনপুরুষ ও নারীর ভালোবাসাময় বন্ধনের নাম বিবাহ। বিবাহ একটি সম্মানজনক সম্পর্ক। মানুষের স্বভাবজাত প্রয়োজনকে বিবেচেনা করেই ইসলাম এক ও একাধিক বিবাহের বিধান রেখেছে। আল্লাহ ও তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিবাহ নামক মধুর সম্পর্ক টিকে থাকা এবং এর দ্বারা শান্তি লাভ করার জন্য যেসব নির্দেশ ও নসিহত করেছেন সেগুলো যথাযথ আদায় করলে বৈবাহিক সম্পর্ক অটুট থাকে। বিবাহ বিচ্ছেদের মতো চরম দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে না। বিবাহের সময় খুতবায় যেসব আয়াত ও হাদিস পড়া হয় সেগুলো অত্যন্ত গুরুত্ববহ। প্রতিটি আয়াতে স্বামী ও স্ত্রী উভয়কে তাকওয়া ও আল্লাহভীতির কথা বলা হয়েছে। জীবনব্যাপী সত্য কথা বলার জন্য এবং জীবনের আমলকে সংশোধন করার জন্য তাগিদ দেয়া হয়েছে। একজন স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে যখন আল্লাহ পাকের ভয় থাকবে, তখন তারা একজন আরেকজনের অবর্তমানে গর্হিত কাজে জড়ানো ও লিপ্ত হওয়ার ক্ষেত্রে আল্লাহকে ভয় করে এর থেকে বিরত থাকবে। তাছাড়া মানুষ যখন গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকে তখন আল্লাহ পাকের গায়েবি রহমত ও সাহায্য তার ওপর থাকে। সমাজের মানুষের দিলে তার ব্যাপারে সম্মানবোধ থাকে। তেমনি স্বামী যখন মুত্তাকি ও খোদভীরু হয় তখন স্ত্রীর অন্তরে স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকে। অনুরূপ স্ত্রী যখন মুত্তাকি ও আল্লাহভীরু হয় তখন স্বামীর অন্তরে স্ত্রীর প্রতি সম্মানবোধ বিরাজ করে। স্বামী-স্ত্রী যখন দুজন দুজনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও আস্থাবান থাকে তখন তাদের জীবনসংসার স্থায়িত্ব লাভ করে। এর বিপরীতে মানুষ যখন তাকওয়া ছেড়ে দেয় তখন মানুষের প্রতি মানুষের এক ধরনের অবিশ্বাস জন্ম নেয়। এই অবিশ্বাস থেকেই একে অপরের প্রতি আস্থাহীন ও সন্দিহান হয়ে পড়ে। আর এ ধরনের সমস্যা যখন স্বামী-স্ত্রীর মাঝে হয় তখন একসময় সেটার পরিণতি দাঁড়ায় স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ। এ জন্য আল্লাহ তায়ালা বৈবাহিকজীবনের শুরুতেই বারবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন- তাকওয়ার জিন্দেগি অবলম্বন করো। স্বামী-স্ত্রী যখন আল্লাহ পাকের এই বিধানের ওপর অটল থাকে, তখন তাদের সম্পর্ক সুন্দর থাকে। মধুময় থাকে। দীর্ঘায়িত হয়। বিচ্ছেদের মতো দুর্ঘটনা তাদের মাঝে ঘটে না। তালাক ও বিবাহবিচ্ছেদ ঘটা এবং বর্তমানে এর পরিমাণ বেড়ে যাওয়া মূলত একটা সামাজিক অবক্ষয়ের বহিঃপ্রকাশ। বিবাহবিচ্ছেদ ঘটার পেছনে বড় একটা কারণ অপসংস্কৃতি। আজকে বেশিরভাগ মিডিয়া নাটক-সিনেমা এমনকি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেও অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা প্রচার করছে। মানুষ যখন নাটক-সিনেমায় ইসলামের বিধান বহির্ভূত অবৈধ সম্পর্কের গল্প বারবার দেখে তখন সেগুলো তাদের জীবনের ওপর প্রভাব ফেলে। ব্যক্তিজীবনে তারা সেসব অবৈধ ও অনৈতিক সম্পর্ক গড়তে গিয়ে বিবাহবিচ্ছেদসহ নানা ধরনের অপমানজনক ঘটনা ঘটে। সারা দুনিয়ায় মুসলমানদের জীবনে বর্তমানে সবচেয়ে বড় হামলাটা করছে মোবাইল ও ইন্টারনেট। নেটের বদৌলতে সহজেই মোবাইল দিয়ে খারাপ ও নোংরা জিনিস দেখার অবাধ সুযোগ থাকার কারণে নারী-পুরুষের শালীনতা নষ্ট হয়। চরমভাবে চরিত্র ও রুচির বিকৃতি হয়। যারা এগুলো দেখে তারা এক নারী ও পুরুষে সন্তুষ্ট থাকতে চায় না। নতুন নারী নতুন পুরুষের সঙ্গে মেশার তাড়না ও নেশা সৃষ্টি হয়। স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে সৃষ্টি হয় নানা ধরনের সংকট ও সমস্যা। যার চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটে তালাকের মাধ্যমে। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে তালাক ও বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে বড় মাত্রার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে সন্তানাদির ওপর। এ সময় তারা মা-বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তাদের ভবিষ্যৎ জীবনটা ভীষণ সংকটের মধ্যে পড়ে। বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে মানুষের কর্মজীবনেও প্রভাব পড়ে। ব্যক্তি নিজের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলে। তার কাজের গতি নষ্ট হয়। তালাকের কারণে স্বামী-স্ত্রী আলাদা হয়ে যায় বটে। কিন্তু জীবনের প্রথম সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে পুরুষ ও নারী উভয়ে পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশে নানামুখি সমস্যার মুখোমুখি হয়। বিভিন্ন ধরনের অশান্তি ও অসম্মানজনক পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে। ইসলামে তালাকের বিধান আছে, তবে সেটা ঘৃণা ও অপছন্দের সঙ্গে। স্বামী যখন স্ত্রীর ওপর জুলুম করে, স্ত্রীর ইসলামসম্মত হক আদায় করে না তখন স্ত্রী চাইলে শরয়ি বিধান মোতাবেক আলাদা হয়ে যেতে পারেন। এমনিভাবে স্ত্রী যখন স্বামীর কথা মানে না, স্বামীর ইসলামসম্মত হক আদায় করে না তখন স্বামী চাইলে ইসলামি বিধান মোতাবেক স্ত্রীকে আলাদা করে দিতে পারেন। স্বামী-স্ত্রী যদি শরিয়তসম্মত কোনো সমস্যার কারণে কোনোভাবেই একসঙ্গে থাকতে সম্মত না হন তখন ইসলাম তাদের তালাক ও আলাদা হয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। মূলত স্বামী-স্ত্রী যখন তাকওয়া ও আল্লাহর ভয়কে অন্তর ধারণ করে একে অপরের হক আদায় করে যায় তখন তালাক ও বিবাহ বিচ্ছেদের মতো দুর্ঘটনা ঘটে না। [সংগ্রহ করা লেখা]
Saturday, November 3, 2018
দ্বীনরক্ষা ও প্রতিষ্ঠার জন্য শক্তি ব্যয় করন
আমরা যে সত্য ধর্ম গ্রহণ করেছি এবং যে পরকালমুখী সার্বজনীন জীবন ব্যবস্থা অনুসরণ করছি, তা যেন সর্বাস্থায় সুরক্ষিত থাকে এবং ক্রমেই যেন পৃথিবীময়
বিস্তৃতি ও প্রতিষ্ঠা লাভ করে এজন্য সর্ব শক্তি নিয়োগ করা আমাদের একান্ত কর্তব্য । দ্বীনী পরিভাষায় একে ‘জিহাদ’ বলে। মুমিনদের প্রতি জিহাদ আল্লাহ তাআলার বিশেষ একটি হুকুম।
বিস্তৃতি ও প্রতিষ্ঠা লাভ করে এজন্য সর্ব শক্তি নিয়োগ করা আমাদের একান্ত কর্তব্য । দ্বীনী পরিভাষায় একে ‘জিহাদ’ বলে। মুমিনদের প্রতি জিহাদ আল্লাহ তাআলার বিশেষ একটি হুকুম।
সাধারণ পরিভাষায় জিহাদের অর্থ ‘সশস্ত্র প্রচেষ্টা’ হলেও পরিস্থিতিভেদে এর রূপবদল হয়। স্ব-স্ব ক্ষেত্রে সবগুলিই গুরুত্বপূর্ণ। স্তরভেদে সবগুলিই জিহাদের আওতাভূক্ত। যেমন কোনো অঞ্চলে কুফুরী শক্তি প্রবল হওয়ার কারণে যদি খোদ মুসলমানদেরই দ্বীনের উপর কায়েম থাকা কঠিন হয়ে পড়ে, বরং কখনো কখনো বিপদ-আপদের শিকারও হতে হয়, তখন শান্তিপূর্ণ উপায়ে সেখানে নিজের সমাজ ও পরিবারপরিজন নিয়ে দ্বীনের উপর মজবুতভাবে জমে থাকাই বড় জিহাদ। এমনিভাবে কোনো অঞ্চলের মুসলমানরা যদি অজ্ঞতা ও উদাসীনতার কারনে দ্বীন ও শরীয়ত থেকে দূরে সরে যায়, তাহলে তাদের এসলাহ ও সংশোধনের জন্য জানমাল ব্যায় করাটা জিহাদ। জালিম ও স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে হক কথা বলা এবং জনমত গড়ে তোলাও এক প্রকার জিহাদ। হাদীসে এসেছে,
أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَدْ وَضَعَ رِجْلَهُ فِي الْغَرْزِ: أَيُّ الْجِهَادِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: كَلِمَةُ حَقٍّ عِنْدَ سُلْطَانٍ جَائِر
এক ব্যাক্তি ঘোড়ার পিঠে থাকা অবস্থায় নবীজীকে জিজ্ঞেস করলো, কোন জিহাদ সর্বোত্তম? নবীজী ইরশাদ করলেন, জালিম শাসকের সামনে হক বিষয়টি বলে দেওয়া উত্তম জিহাদ। মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ১৮৮৩০
এক ব্যাক্তি ঘোড়ার পিঠে থাকা অবস্থায় নবীজীকে জিজ্ঞেস করলো, কোন জিহাদ সর্বোত্তম? নবীজী ইরশাদ করলেন, জালিম শাসকের সামনে হক বিষয়টি বলে দেওয়া উত্তম জিহাদ। মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ১৮৮৩০
তেমনি আল্লাহ পাকের দ্বীন সম্পর্কে যারা সম্পূর্ণ বেখবর, তাদেরকে দাওয়াত দেওয়া এবং ইসলামে দীক্ষিত করার জন্য দৌড়ঝাপ করাটা জিাহদ।
যদি কখনো এমন সুদিন আসে যে, কোনো ভূ-খডে মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে যায় এবং পরবর্তী পরিস্থিতি শামাল দেয়ার মতো শক্তি তাদের থাকে, আর জীবনের সর্বস্তরে দ্বীন রক্ষা কিংবা দ্বীনের শাসন-কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য সশস্ত্র প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, তবে তখন অস্ত্রযুদ্ধই সবচে বড় জিহাদ। বলার অপেক্ষা রাখে না, জাতিগত হানাহানি, অর্থসম্পদ ও ক্ষমতার লড়াই ইত্যাদি কখনো ‘জিহাদ’ নামে অভিহিত হতে পারে না। এমনিভাবে শরীয়তের যুদ্ধনীতির বাইরে কোনো প্রকার বাহুশক্তির প্রয়োগ জিহাদ নয়, বরং ফেতনা ও সন্ত্র¿াস। অতএব যুদ্ধ তখনি জিহাদ ও ইবাদত, যখন তা নিয়মতান্ত্রিকভাবে আল্লাহর দ্বীন রক্ষা ও প্রতিষ্ঠার অপরিহার্য প্রয়োজনে সংঘটিত হয়।
আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ ও মেহনতের ফযীলত
আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন,
وَجَاهِدُوا فِي اللَّهِ حَقَّ جِهَادِهِ هُوَ اجْتَبَاكُمْ
আল্লাহর দ্বীনের জন্য জিহাদ ও মেহনত করো যেমন করা উচিৎ। আল্লাহ তো তোমাদেরকে তার দ্বীনের খেদমতের জন্য নির্বাচন করেছেন। সূরা হজ্ব ২২/৭৮
আল্লাহর দ্বীনের জন্য জিহাদ ও মেহনত করো যেমন করা উচিৎ। আল্লাহ তো তোমাদেরকে তার দ্বীনের খেদমতের জন্য নির্বাচন করেছেন। সূরা হজ্ব ২২/৭৮
অন্য আয়াতে বলেন,
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا هَلْ أَدُلُّكُمْ عَلَى تِجَارَةٍ تُنْجِيكُمْ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ. تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَتُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ بِأَمْوَالِكُمْ وَأَنْفُسِكُمْ ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ. يَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَيُدْخِلْكُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ وَمَسَاكِنَ طَيِّبَةً فِي جَنَّاتِ عَدْنٍ ذَلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ
হে মুমিনগণ! আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি বিনিময়চুক্তির কথা বলে দিবো, যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক অবস্থা থেকে মুক্তি দেবে? চুক্তিটি হলো, তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি ঈমান আনবে এবং আল্লাহর রাস্তায় জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করবে, যা হবে তোমাদের জন্য অতি উত্তম কাজ, যদি তোমরা তা উপলব্ধি করতে পারো। বিনিময়ে আল্লাহ তোমাদের গুনাহসমুহ ক্ষমা করবেন এবং তোমাদের এমন সব জান্নাতে দাখিল করবেন, যার পাদদেশে নহরমালা প্রবহমান থাকবে। আরও দান করবেন চিরস্থায়ী জান্নাতের উত্তম আবাসস্থল। আসলে এটাই বড় সফলতা। সূরা সফ্ ৬১/১০-১২
হে মুমিনগণ! আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি বিনিময়চুক্তির কথা বলে দিবো, যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক অবস্থা থেকে মুক্তি দেবে? চুক্তিটি হলো, তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি ঈমান আনবে এবং আল্লাহর রাস্তায় জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করবে, যা হবে তোমাদের জন্য অতি উত্তম কাজ, যদি তোমরা তা উপলব্ধি করতে পারো। বিনিময়ে আল্লাহ তোমাদের গুনাহসমুহ ক্ষমা করবেন এবং তোমাদের এমন সব জান্নাতে দাখিল করবেন, যার পাদদেশে নহরমালা প্রবহমান থাকবে। আরও দান করবেন চিরস্থায়ী জান্নাতের উত্তম আবাসস্থল। আসলে এটাই বড় সফলতা। সূরা সফ্ ৬১/১০-১২
হাদীসে এসেছে, জনৈক ব্যক্তি নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো,
أَيُّ الْأَعْمَالِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: إِيمَانٌ بِاللهِ، قَالَ: ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ: الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللهِ
কোন আমল সবচে বড়? নবীজী বললেন, খাঁটি দিলে আল্লাহর উপর ঈমান আনা। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলো, তারপর কোন আমল সর্বোত্তম? নবীজী বললেন, আল্লাহর দ্বীনের পথে জিহাদ ও মেহনত করা। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৮৩
কোন আমল সবচে বড়? নবীজী বললেন, খাঁটি দিলে আল্লাহর উপর ঈমান আনা। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলো, তারপর কোন আমল সর্বোত্তম? নবীজী বললেন, আল্লাহর দ্বীনের পথে জিহাদ ও মেহনত করা। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৮৩
অন্য একটি হাদীসে নবীজী বলেন,
مَا اغْبَرَّتْ قَدَمَا عَبْدٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَتَمَسَّهُ النَّارُ
আল্লাহর রাস্তায় চলতে গিয়ে যার দুটি পা ধূলিধুসরিত হয়েছে, এটা হতেই পারে না যে, জাহান্নামের আগুন সেই পা স্পর্শ করবে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৮১১
আল্লাহর রাস্তায় চলতে গিয়ে যার দুটি পা ধূলিধুসরিত হয়েছে, এটা হতেই পারে না যে, জাহান্নামের আগুন সেই পা স্পর্শ করবে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৮১১
একটি হাদীসে এসেছে,
فَإِنَّ مُقَامَ أَحَدِكُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَفْضَلُ مِنْ صَلَاتِهِ فِي بَيْتِهِ سَبْعِينَ عَامًا
আল্লাহর রাস্তায় এক মুহূর্ত দাঁড়ানো এবং সামান্য অংশ গ্রহণ ঘরের কোনো ৭০ বছর নামায পড়ার চেও উত্তম। সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং ১৬৫০
আল্লাহর রাস্তায় এক মুহূর্ত দাঁড়ানো এবং সামান্য অংশ গ্রহণ ঘরের কোনো ৭০ বছর নামায পড়ার চেও উত্তম। সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং ১৬৫০
আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে দ্বীনের পথে জিহাদ ও মেহনত করার তাওদীক দান করুন, আমীন ।
শয়তানের ধোঁকা
যখন সব কাজের ফায়সলা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবেঃ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে সত্য ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং আমি তোমাদের সাথে
ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর তো আমার কোন ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে, আমি তোমাদেরকে ডেকেছি, অতঃপর তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছ। অতএব তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করো না এবং নিজেদেরকেই ভৎর্সনা কর। আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই। এবং তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নও। ইতোপূর্বে তোমরা আমাকে যে আল্লাহর শরীক করেছিলে, আমি তা অস্বীকার করি। নিশ্চয় যারা জালেম তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।যখন সব কাজের ফায়সলা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবেঃ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে সত্য ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং আমি তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর তো আমার কোন ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে, আমি তোমাদেরকে ডেকেছি, অতঃপর তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছ। অতএব তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করো না এবং নিজেদেরকেই ভৎর্সনা কর। আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই। এবং তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নও। ইতোপূর্বে তোমরা আমাকে যে আল্লাহর শরীক করেছিলে, আমি তা অস্বীকার করি। নিশ্চয় যারা জালেম তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর তো আমার কোন ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে, আমি তোমাদেরকে ডেকেছি, অতঃপর তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছ। অতএব তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করো না এবং নিজেদেরকেই ভৎর্সনা কর। আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই। এবং তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নও। ইতোপূর্বে তোমরা আমাকে যে আল্লাহর শরীক করেছিলে, আমি তা অস্বীকার করি। নিশ্চয় যারা জালেম তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।যখন সব কাজের ফায়সলা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবেঃ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে সত্য ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং আমি তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর তো আমার কোন ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে, আমি তোমাদেরকে ডেকেছি, অতঃপর তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছ। অতএব তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করো না এবং নিজেদেরকেই ভৎর্সনা কর। আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই। এবং তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নও। ইতোপূর্বে তোমরা আমাকে যে আল্লাহর শরীক করেছিলে, আমি তা অস্বীকার করি। নিশ্চয় যারা জালেম তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
Subscribe to:
Posts (Atom)






